ভালো ফল পেতে আমের মুকুলে স্প্রে করার নিয়ম ও বিশেষ যত্ন আজকে আপনাদের জানাব-
১. কয়বার স্প্রে করতে হবে
২. ফল ঝরা রোধে করণীয়
৩. জৈব পদ্ধতিতে হপার পোকা ও ফল ছিদ্র কারী মাছি পোকা দমন
৪. কখন সেচ দিবেন
* প্রথমবার স্প্রেঃ ( জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে মুকুল আসার ১৫-২০ দিন আগে)
* * সাইপারমেথ্রিন অথবা ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক ১ মিলি / লিটার পানিতে
অথবা
* * ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
* এর সাথে সালফার গ্রুপ/ ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।
* * তবে মুকুল আসার আগে স্প্রে করা জরুরি নয়। ঘন কুয়াশা অবস্থায় আগাম ব্যবস্থা হিসেবে এটি করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
* ২য় বার স্প্রে মুকুল আসার পরে- (মুকুল ৪-৬ ইঞ্চি হওয়ার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে)
* * হপার পোকা দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
* এর সাথে অ্যানথ্রাকনোজ রোগ দমনে ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন ইন্ডোফিল এম ৪৫/নেমিস্পোর /এগ্রিজেব ৮০ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
* *জৈব পদ্ধতিঃ গাছে হপার পোকা দমনে মুকুল আসার পর পর আঠালো হলুদ ও নীল ফাদ লাগিয়ে দিতে পারেন।
* ভালো ফলন পেতে
২য়বার স্প্রে করার ২-৩ দিন পরে সলুবর বোরন লিটারে ১.৫ গ্রাম হারে এবং চিলেটেড জিংক লিটারে ০.২৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে করতে পারেন।
* তৃতীয়বার স্প্রেঃ(ফল মটরদানা আকৃতির হলে)
* * উপরের ২য়বার স্প্রে করার নিয়মে ইমিডাক্লোপ্রিড সাথে ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করবেন।
* * ফল ঝরা রোধে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে ফল মটরদানা অবস্থায় একবার এবং মার্বেল আকৃতির হলে দ্বিতীয়বার বার স্প্রে করতে হবে।
* জৈব পদ্ধতিতে মাছি পোকা দমনেঃ
ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে মার্বেল অবস্থা থেকে ম্যাজিক ফাদ জোনাট্র্যাক/ সেরানক অথবা ফেরোমন ফাদ ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ফল ব্যাগিং করে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
* সেচ প্রদান
* * ফলন্ত গাছে মুকুল আসার ৩ মাস আগে থেকে সেচ প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।
* * আমের মুকুল ফোটার শেষ পর্যায়ে কমপক্ষে একবার ও ফল মটর দানা হলে একবার সেচ দিতে হবে।
* তবে মুকুল অবস্থায় সেচ দেওয়া নিয়ে বিতর্ক আছে। ফুল ফোটার আগে সেচ দেওয়া যাবে না।
* * কলম করা গাছের বয়স ৪ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মুকুল ভেঙ্গে দেওয়া ভালো। । এতে আম গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় ও দীর্ঘ দিন ফল দেয়। তবে গাছের বৃদ্ধি খুব ভালো হলে ৩ বছরের পর থেকে মুকুল রাখতে কেউ কেউ পরামর্শ দেন।
* * গাছের গোড়া আগাছা মুক্ত ও পরিস্কার রাখতে হবে। মনে রাখবেন এসব আগাছায় পোকা বাসা বাঁধে।
Based on 0 reviews
Be the first to review “আমের মুকুলে স্প্রে”
-
Garden
১০টি সবজির ফুল
১০টি সবজির ফুল ফোটার সময় ও কৃত্রিম পরাগায়ন পদ্ধতিবেশির ভাগ কুমড়া জাতীয় ফসলে স্ত্রী ফুল ও পুরুষ ফুল আলাদা ফোটায় পরাগায়নের জন্য অন্য মাধ্যম যেমন কীটপতঙ্গের প্রয়োজন হয়।পরাগায়ন ঠিকমতো না হলে ফল শুকিয়ে পচে বা ঝরে গিয়ে প্রায় ৯৫% ফলন কমে যেতে পারে। তখন হাত পরাগায়নের মাধ্যমে কৃত্রিম উপায়ে পরাগায়ন করিয়ে দিতে হয়।
পরাগায়ন পদ্ধতিএকটি পুরুষ ফুল নিয়ে স্ত্রী ফুলের গর্ভমুন্ডে লাগালে পরাগরেণু স্ত্রী ফুলে লেগে যাবে। অনেক সময় হালকা করে ঘসে দিতে হয়। ব্রাশ দিয়েও করা যায়। এভাবে কৃত্রিম পরাগায়ন সম্পন্ন হয়।তবে কোন সময় পরাগায়ন করতে হবে, এজন্য কুমড়াগোত্রীয় ফুল কখন ফোটে সে বিষয়ে আমাদের জানা প্রয়োজন। চলুন জেনে নেই-SKU: n/a -
Garden
কেঁচো সার
দুর্ভাগ্যবশত বিশ্বব্যাপী মূল্যবৃদ্ধির কারণে, আমাদের পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।নিশ্চিত থাকুন যে আমরা এখনও কৃষক হিসাবে আপনাকে আমাদের কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে আছি এবং আমাদের পণ্যের গুণমানের সাথে আপস না করে আমাদের সারের দাম আপনার কাছে যথাসম্ভব ন্যায্য নিশ্চিত করার জন্য লড়াই করছি।SKU: n/a -
Garden
টমেটোর পাতা
টমেটো বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় সবজি। আগে টমেটো সাধারণত কৃষকের মাঠে রবি মৌসুমে অর্থাৎ শীতকালে চাষ করা হতো। তবে এখন তা টবে বা বাড়ির আঙ্গিনায় সারা বছরই চাষ হয়ে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ এ সবজিটির পাতা কোকড়ানো একটি অন্যতম রোগ। পাতা কোকড়ানো রোগটি ভাইরাসজনিত রোগ এবং সাদা মাছির আক্রমণে এর বিস্তার হয়ে থাকে।
SKU: n/a
টমেটোর পাতা









There are no reviews yet.